1. live@www.skymediabd.com : news online : news online
  2. info@www.skymediabd.com : স্কাই মিডিয়া বিডি :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মন্ত্রীর ছবি দিয়ে পোস্ট, দুই দিন পর কোম্পানীগঞ্জে পাথর ব্যবসায়ী আটক। ফেঞ্চুগঞ্জের পাঁচ ইউনিয়নের জনগণ আর অন্ধকারে থাকতে চায় না। প্রশ্ন: উন্নয়নের বরাদ্দ কোথায়, আর জনগণ কতটুকু সেবা পেয়েছে? বড়লেখায় সাংবাদিক আশফাক আহমেদের বাবার মৃত্যু, প্রেসক্লাবের শোক সাংবাদিকের কলম সত্য ও ন্যায়ের পক। কলম থামানো যায়, সত্য চাপা রাখা যায় না। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের আতঙ্ক, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ! রাণীশংকৈলে নিজ বাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীতে মাদক ও জুয়া দমনে অভিযান, জব্দ টাকা-মোটরসাইকেল-ফোন ফেঞ্চুগঞ্জে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের চাঁদা না দেওয়ায় নির্যাতনের শিকার ব্যবসায়ী। সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে চাপ সৃষ্টি করে অর্থ দাবির । লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরে লাইভ সিসিটিভির দাবি, আইনি নোটিশ

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার আপিল শুনানির উদ্যোগ খালেদা জিয়ার

স্কাই মিডিয়া বিডি :
  • Update Time : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরি করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

পরে কায়সার কামাল বলেন, আমরা এই মামলার আপিল শুনানির উদ্যোগ হিসেবে আদালতে গিয়েছি।

 

এ জন্য আমরা কোর্টের অনুমতি নিয়ে নিজেরা পেপারবুকটা তৈরি (আপিলকারির খরচে) করে আপিল শুনানি করতে পারি, সে আবেদন করেছিলাম। সে আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছেন।

 

পেপারবুক প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও কায়সার কামাল বলেন, এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড মওকুফ করা হয়েছে।

 

তারপরও আপিল শুনানি কেন? আমরা বলেছি, তিনি (খালেদা জিয়া) আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছেন। সেখানে ক্ষমার কথা আছে। খালেদা জিয়া ক্ষমার প্রতি বিশ্বাসী না। তিনি অপরাধ করেনননি। তিনি ক্ষমাও চাননি। তাই এটা আইনগতভাবে মোকাবিলা করতে আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং, তাড়াতাড়ি পেপারবুক তৈরি করে আপিল শুনানির জন্য আদালতের কাছে নিয়ে আসবো।

 

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫’র বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। সে সময় হারিছ চৌধুরী পলাতক হন। বাকি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© All rights reserved © 2025-2026 www.skymediabd.com