
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় চাঁদাবাজি, টেন্ডার সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা ও নির্যাতনের অভিযোগে স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতা সৈয়দ রাইয়ানুর রহমান (নাঈম) এলাকায় আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌর ছাত্রদলে সাবেক যুগ্ম আহবায়ক পদে থাকার সুবাদে তিনি প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শায়েস্তাগঞ্জে কোনো উন্নয়ন কাজ শুরু করার আগে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ শুরু করা সম্ভব হয় না। সরকারি টেন্ডারে প্রভাব খাটিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বিনা কারণে নির্যাতন, হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করা হচ্ছে। নাঈমের নেতৃত্বে একটি সংগঠিত গ্রুপ বিভিন্ন অবৈধ কাজে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অবৈধ ব্যবসার অভিযোগও উঠেছে।
এসব ঘটনার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না। প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
সভাপতি :শায়েস্তাগঞ্জ পৌর তরুণদল,সদস্য শায়েস্তাগঞ্জ পৌর যুবদল ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শায়েস্তাগঞ্জ পৌর ছাএদল এসব পদে থেকে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে “নাঈম” এসকল অসামাজিক ও অপরাধ মূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।সরকার দলিয় BNP দলের নেতা র্কমী তাই প্রশাসনও কোন অইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করাতে পারছেনা। তার কাছে প্রশাসনও জিম্মি।
স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবে সুরক্ষিত থাকার কারণে তিনি এলাকায় ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, তাঁর নিজস্ব একটি গুন্ডাবাহিনী রয়েছে এবং সৈয়দ রাইয়ানুর রহমান(নাঈম) সেই বাহিনীর প্রধান।
এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।