
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টায় গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর।
এর আগে রাত ৯টায় জরুরি বৈঠকে বসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান নিজেই। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষকে এই আনন্দের বার্তা জানানো হয়।
মির্জা ফখরুল আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, কোটি কোটি মানুষের প্রিয় নেতা, দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত অবস্থায় থাকার পর দেশে ফিরে আসবেন। তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং ছাত্র-যুব সমাজের নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের দলকে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন। তার আগমন দেশের গণতন্ত্রের পথে নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “লন্ডনে সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ফেব্রুয়ারির মধ্যবর্তী সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে নির্বাচন নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা দূর হয়ে গেছে। এবার দেশে তার আগমনের সঙ্গে নির্বাচনের রেলও সুষ্ঠুভাবে চলতে শুরু করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের সকল বিএনপি কর্মী ও সমর্থক তারেক রহমানের আগমনকে শুধুই স্বাগত নয়, বরং এটিকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মতো মানবেন। দল আশা করছে, তার আগমনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের পথে সৃষ্ট বাধাগুলো দূর হবে এবং জনগণের মধ্যে নতুন আশা ও প্রত্যাশা জন্মাবে।
মির্জা ফখরুল আলমগীর সর্বশেষ নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারেক রহমানের আগমন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। এই আগমনকে কেন্দ্র করে দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে এবং সারা দেশের মানুষের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।