
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য প্রবাসী পরিবারের বাড়ি জমি জোরপূর্বক দখল ও হয়রানীর অভিযোগ করেছে প্রবাসী পরিবার সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে প্রবাসী এসব অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
হিউম্যান রাইডস ইউকে শাখার প্রেসিডেন্ট ও মানবাধিকার কর্মী রহমত আলী ও
প্রবাসী দারিস মিয়া পুএ ফজল মিয়া আজ শুক্রবার দুপুর ১১ টায় হেলিকপ্টার যুগে হরিপুর আসেন। এবং ভুক্তভোগী পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করেন।
এর আগে প্রবাসী মখলিছুর রহমানের মেয়ে ভুক্তভোগী হামিদা আক্তার বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারের সবাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী। আমরা যুক্তরাজ্যে থাকাকালীন আমার বাবা-চাচার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ও বসতভিটা দেখভাল করতেন আমার নিকটাত্মীয়রা এ সুযোগে প্রতিবেশি আশারকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আবুল কালাম রাসেল এবং তাঁর পূর্বপুরুষরা ভুয়া কাগজপত্র করে আমাদের জমির কিছু অংশ ও চলাচলের রাস্তা৷ জোরপূর্বক দখল করেন। আদালত প্রমানীত হয়েছে জাল দলিল করেছেন যুবলীগ নেতা রাসেল মিয়া।
বিষয়টি জানতে পেরে আমরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালতের বিচারক আমাদের পক্ষে রায় দেন। আদালতের রায়ের পরেও প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা আমাদের জমির দখল ছাড়ছে না।
তিনি আরও বলেন, ‘বেদখল হওয়া জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলে প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা আবুল কালাম রাসেল জোরপূর্বক বাঁধা দেন। উল্টো আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া, প্রশাসন দিয়ে একাধিকবার হয়রানী এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।
আমাদের বাড়ির বিভিন্ন মালামাল লোকজন দিয়ে চুরি করিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বসতবাড়ি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে।’
এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ‘যুবলীগ নেতা আমাকে ও আমার পরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
রাসেলের ক্ষমতার অপব্যহার ও হয়রানি থেকে বাঁচতে অন্তরবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।ইতি মধ্যে হামিদা বেগম ও তার পরিবার।
হিউম্যান রাইডস ইউকে শাখার প্রেসিডেন্ট – ও মানবাধিকার কর্মী রহমত আলী বলেন আমি এসেছি পরিদর্শন করার জন্য এই বাড়ির সবাই প্রবাসে থাকেন। প্রবাসে থাকা অবস্থায় তাদেরই আত্মীয় যুবলীগ নেতা রাসেল মিয়া জাল দলিল করে বাড়ি দোকানে চেষ্টা করছেন। এখানে এসে দেখা গেল রাসেল মিয়া সব ভুল করেছেন। প্রবাসীদের পক্ষে জাল দলিল প্রমাণ হয়েছে রাসেল মিয়া জাল দলিল করেছেন। আমি ঢাকা মানবধর চেয়ারম্যানের কাছে এই রিপোর্টগুলা দিবো
লন্ডন প্রবাসী ফজলু মিয়া বলেন আমরা এসেছি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আমার চাচাতো বোন হামিদাকে যুবলীগ নেতা রাসেল মিয়া অন্যায় অত্যাচার করে যাচ্ছেন। এবং আমার বাবার নামে জাল দলিল করে সম্পত্তি বুক করার চেষ্টা করেছেন। ময়না আদালত মহামান্য আদালত জাল দলিল প্রমাণিত হয়েছে আমাদের পক্ষে রায় এসেছে। আমরা এই বাড়িটি এবং বিনোদনের জন্য কাজ করবো।
হালিমা বেগম প্রবাসী হামিদা বলেন আমি বিদেশ থেকে আসার পর যুবলীগ নেতা রাসেল মিয়া জগন্নাথপুর থানার এস আই শাকিব নিয়ে আমার বিরুদ্ধে যন্ত্র করে, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ভাসিয়েছে। এস আই শাকিব মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই কাজ করেছে। আমি সুস্থ তদন্তর মাধ্যমে বিচার চাই।
এসম এলাকাবাসী ও বিভিন্ন প্রিন্ট-ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।।
বর্তমানে যুবলীগ নেতা রাসেল মিয়া পলাতক রয়েছেন।তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।