ফেঞ্চুগঞ্জের ৫ নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের মল্লিকপুর খেয়াঘাটকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন আনুমানিক ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা আয়ের এই খেয়াঘাটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
অভিযোগের তীর যাদের দিকে—
১. আল-আমিন রাসেল, ৫ নং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।
২. মল্লিকপুরের আমিন, যিনি এলাকায় ‘দখলবাজ আমিন’ নামে পরিচিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
৩. মল্লিকপুরের বালুর ছেলে আব্দুল কাদির ও তার সহযোগীরা।
এছাড়াও আলোচনায় উঠে এসেছে কয়েকজনের নাম—
প্রশ্ন হচ্ছে, জনসাধারণের ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ খেয়াঘাটের আয় ও পরিচালনা নিয়ে কারা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে? খেয়াঘাটের অর্থ কোথায় যাচ্ছে? কার স্বার্থে এই দখলদারির চেষ্টা?
মল্লিকপুর খেয়াঘাট কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষা করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব।
আমরা চাই, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। খেয়াঘাট নিয়ে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল কিংবা জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হয়ে থাকলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মল্লিকপুর খেয়াঘাট রক্ষা করতে হবে। দখলদারি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।