
জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষণ। তবে এবারের নির্বাচনে জগন্নাথপুর পৌরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষন করছেন এক পরিচ্ছন্ন ইমেজের তরুন নেতা সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জগন্নাথপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সাবেক দুইবারের জগন্নাথপুর পৌর নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মোঃ রাজু আহমদ
বিগত দিনের রাজপথের লড়াকু এই ছাত্রনেতা এবারও পৌরবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে মেয়র পদে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ধারক হিসেবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাকে নিয়ে এরই মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।পরিবর্তনের দাবি ও তরুণ নেতৃত্ব জগন্নাথপুর পৌরসভার ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিরসনে একজন সাহসী ও আধুনিক মনস্ক তরুণ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। স্থানীয়রা জানান, রাজু আহমদ ছাত্ররাজনীতি থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিপদে-আপদে পাশে থেকেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজির অভিযোগ না থাকায়, এই \’ক্লিন ইমেজ\’ তাকে নির্বাচনী দৌড়ে অন্যদের থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখছে।সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পৌর এলাকার প্রবীণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজনকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান যিনি সরাসরি জনগণের সাথে যোগাযোগ রাখবেন। রাজু আহমদ তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হওয়ায় তিনি একটি আধুনিক ও ডিজিটাল জগন্নাথপুর পৌরসভা গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে।
পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সমছু মিয়া বলেন:”জগন্নাথপুর আমাদের প্রাণের শহর। এই শহরকে যানজটমুক্ত, পরিচ্ছন্ন এবং মাদকমুক্ত একটি আধুনিক তিলোত্তমা নগরী হিসেবে দেখতে চাই। দল যদি আমার নেতা রাজু আহমদ ভাইকে সুযোগ দেয়, তবে তিনি তার শতভাগ দিয়ে জগন্নাথপুরবাসীর সেবা করবেন।”চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই নেতার বড় শক্তি তার সুসংগঠিত সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলের সাথে গভীর সমন্বয়। যদিও বড় রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া এবং নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়, তবুও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও তারুণ্যের জোয়ারে তিনি অনেকটা এগিয়ে আছেন।শহর জুড়ে এখন একটাই আলোচনা—তারুণ্যের শক্তিতেই হয়তো এবার বদলে যাবে জগন্নাথপুর পৌরসভার ভাগ্য।